অজানা রহস্য

Fahmida jui 3 months ago ভিউ:167

বিগ ব্যাং! বড় ব্যাঙ!


প্রথমেই দুজন বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার ফ্রিডম্যান ও হেনরি লিমিত্রি তারা আইন্সটাইনের আপেক্ষিক সমীকরণ সমাধান করে দেখান যে মহাবিশ্ব ক্রমশ প্রসারণশীল। যদিও আইন্সটাইন নিজেই এটার বিরোধিতা করেন। 

তো মহাবিশ্ব যে প্রসারণশীল তা প্রমাণ করতে হয়!!

এডওইন হাবল তার টেলিস্কোপ দিয়ে গ্যালক্সি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে দেখেন যে লাল আলো অপসারণ হচ্ছে (রেড শিফট)। এখানে লাল আলোর মানেও এক ধরণের রেডিও গ্যালাক্সি। এখানে আবার ডপলার তত্ত্ব ইউজ হয়।

তো ডপলার তত্ত্বটা একটু বুঝলেই কাহিনী শেষ! এটা হচ্ছে উৎস আর শ্রোতার মধ্যে কোনো আপেক্ষিক বেগ থাকলে তার তার শ্রুত কম্পাংক উৎসের কম্পাংক থেকে ভিন্ন হয়। বুঝিনি? ধরেন একটা ট্রাক হর্ণ দিতে দিতে আপনার দিকে আসছে আর আপনি একটা গাড়িতে বসে আছেন। তো দুজন সামনা সাম্নির দিকে আগাচ্ছেন এখানে আপনি যে হর্ণ শুনতে পারবেন তার কম্পাংক ট্রাকের দেয়া পকৃত হর্ণের কম্পাংক থেকে ভিন্ন হবে। অর্থাৎ ট্রাক কাছে আসতেসে আপনার কাছে কম্পাংক বেশি মনে হবে। আবার সেই ট্রাক টা যখন দূরে যেতে থাকবে আবারো হর্ণ দিতে দিতে সেই কম্পাংকটা কম হবে। এটাই ডপলার ইফেক্ট।

তো এই ইফেক্ট আলোর জন্যেও খাটে। 
দূরবর্তী গ্যালাক্সি গুলো থেকে আসা লাল আলো অপসারণ হচ্ছে ফলে তার কম্পাংক কমে যাচ্ছে আর কম্পাংকের সাথে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্ক ফলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেড়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ গ্যালাক্সিগুলো পর পর দূরে সরে যাচ্ছে মানে মহাবিশ্ব প্রসারণশীল। 
এখানে হাবল আরো খেয়াল করেন যে গ্যালাক্সি যত দূরে তার দূরে যাওয়ার হারও তত বেশি। (এটাই হাবল'স প্রিন্সিপাল) মানে বিশাল সম্প্রসারণ হচ্ছে।

জর্জ গ্যামো চিন্তা করেন তো যেহেতু প্রসারণ হচ্ছে সেহেতু একটা সময় পুরো মহাবিশ্ব একটা বিন্দুতে ছিলো! যার মহাবিস্ফোরণের ফলেই আজ ধীরে ধীরে প্রসারণ হচ্ছে। এই মহাবিস্ফোরণই হলো বিগব্যাং। যদিও বিগব্যাং নামটি দেন ফ্রেড হায়েল কিন্তু তিনি নিজেও এটার ঘোর বিরোধী ছিলেন! মজা করে হাস্যকর অর্থে বিগ ব্যাং বলেন এটাই সেই মহাবিস্ফোরণের নাম হয়।

এখন এটার প্রুফ কি ভাই?
তো এখানে গ্যামো ভাবেন মহাবিস্ফোরণ হলে তার রেশতো থাকবে একটু হলেও যার নাম দেন কসমিক ব্যাগরাউন্ড রেডিয়েশন। যা একটা মাইক্রোওয়েভ। পরে হর্ণ এন্টেনাতে মাইক্রোওয়েভ লক্ষ্য করেন। তাত্র ফ্ল্যাকচুয়েশন থাকে তাই কোবে নামক স্যাটালাইট পাঠান তাতেও হয়না তারপর ডব্লিও-ম্যাপ নামক একটা স্যাটেলাইটে মুটামুটি ভালো মানের মাইক্রোওয়েভ ধরা পরে। যেখান থেকেই শুরু হয় বিগব্যাঙ নিয়ে বিশাল চিন্তার।

এলেন গুথ ইনফ্ল্যাশন থিওরি দেন যার থেকে রশ্মি, কাল, স্থান সবকিছুর একটি তত্ত্ব মিলে। এই ইনফ্ল্যাশন থিউরি বুঝানো সম্ভব না আমার পক্ষে যদিও -,- যদি চিত্র থেকে কেও বুঝেন।

পরে পিটার হিগসের ভর-কণা থিওরি থাকে। ভরের অস্থিত্ব দেন তিনি। আরো বিশাল বিশাল কাহিনী..! আরও জানতে চাইলে এ সমন্ধে বই অথবা গুগল তো আছেই।

মূলকথা মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল তা প্রমাণ হয় তো যেহেতু এটা প্রসারণশীল সেহেতু এটা শুরু হয় একটা বিন্দু থেকে যার মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কালের পরিবর্তনে প্রসারণ হচ্ছেই। এই মহাবিস্ফোরণই বিগ ব্যাং! ;')
স্টার এর তীব্র মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য একে অপরের সাথে নির্দিষ্ট অরবিটে শক্তভাবে লক থাকে।কোনো ওয়ে নাই ছুটে যাওয়ার।আর স্টারগুলোও ও তেমন গ্যলাক্সির Huge gravitation force দ্বারা Bound থাকে।overall সব একসাথে আবদ্ধই থাকে তবে বলতে পারেন যেহেতু গ্যালাক্সিগুলো একে অপরের থেকে মিলিয়ন বিলিয়ন লাইট ইয়ার দুরে থাকে তাই সেখানে এমন জিনিসটা দেখা যায় অর্থাৎ গ্যালাক্সি গুলা একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে ,গ্যালাক্সির ভিতরের কিছু না

কমেন্ট


সাম্প্রতিক পোস্ট